Tag: মতামত

  • মতামত: প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি বন্ধ না হলে সতর্কবার্তাই সার

    মতামত: প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি বন্ধ না হলে সতর্কবার্তাই সার

    কলকাতা, ৩০ সেপ্টেম্বর

    এটি মতামত নিবন্ধ। এখানে প্রকাশিত মত লেখকের নিজস্ব।

    কেন্দ্রীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিডিএসসিও সম্প্রতি ব্যথার ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। কিন্তু একটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন থেকেই যায়: এই সতর্কবার্তা কাদের জন্য?

    নিয়ম তো কাগজে আছেই

    ড্রাগস রুলস, ১৯৪৫ অনুযায়ী বেশিরভাগ ব্যথার ওষুধ (এনএসএআইডি) শিডিউল-এইচ-এর অন্তর্গত — অর্থাৎ রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া খুচরো বিক্রি করার কথা নয়। সমস্যা হলো, কাগজের নিয়ম আর দোকানের বাস্তবতার মধ্যে ফারাকটা বিশাল।

    সতর্কবার্তা একা যথেষ্ট নয়

    দরকার তিন স্তরে পদক্ষেপ:

    • খুচরো বিক্রিতে কড়া নজরদারি।
    • চিকিৎসকদের দায়িত্বশীল প্রেসক্রিপশন।
    • ফার্মাসিস্টদের প্রশিক্ষণ।

    ভোক্তারও দায় আছে

    জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক চাওয়া, ব্যথা হলেই দোকান থেকে ওষুধ কিনে খাওয়া — এই অভ্যাস বদলাতে হবে আমাদেরও। ব্যাখ্যা: কেন বারবার ব্যথার ওষুধ খাওয়া কিডনির জন্য বিপজ্জনক পড়লে বোঝা যায়, এই সহজ অভ্যাসের মূল্য কতটা চড়া হতে পারে।

    পাঁচ দফা দাবি

    1. নিয়মিত পরিদর্শন: শিডিউল-এইচ ও এইচ১ ওষুধের খুচরো বিক্রিতে নজরদারি বাড়ানো।
    2. প্রেসক্রিপশন অডিট: চিকিৎসকদের অ্যান্টিবায়োটিক লেখার ধরন পর্যালোচনা করা।
    3. ফার্মাসিস্ট প্রশিক্ষণ।
    4. জনসচেতনতা।
    5. অভিযোগের সহজ পথ।

    শেষ কথা

    ওষুধ জীবন বাঁচায় — ভুল ব্যবহারে সেই ওষুধই ক্ষতি ডেকে আনে। সিডিএসসিও সতর্ক করেছে; এবার পালা সেই সতর্কবার্তাকে মাঠে-বাস্তবে রূপ দেওয়ার। নিয়ম আছে — এবার তার প্রয়োগ চাই।

    আরও পড়ুন: ব্যথার ওষুধ আর অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা সিডিএসসিও-র, কিডনির ক্ষতির আশঙ্কা

    সূত্র: সিডিএসসিও সার্কুলার (ফার্মাটিউটর)